
এখন সকালে রোদের তেজ, রোদ প়ড়লে ঘামের অস্বস্তি, সারা দিনে নিস্তার নেই এই গরম থেকে। তার প্রভাব পড়ছে ত্বকে, চুলে ও স্বাস্থ্যে।
ঘাম, ধুলোময়লার পাশাপাশি অতিরিক্ত শুষ্কতা ও রুক্ষতাও ত্বকের দফারফা করে দিয়েছে। তার উপরে ঘামের দুর্গন্ধে অপ্রস্তুত হওয়ার জোগাড়, কী ভাবে এমন পরিস্থিতিকে সামাল দেবেন? গরমের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্যে স্নানের জলে এক মুঠো নিমপাতা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। সেই জলে স্নান করলে খুশকি হওয়া বা মুখে ব্ল্যাকহেড্স হওয়ার সমস্যা থেকে খানিক রেহাই মিলতে পারে। তারপর দুপুরে খাবার খাওয়ার পর ঘরে পাতা টক দই বা ছাস পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে গ্রীষ্মের দুপুরের ক্লান্তি কমতে পারে। তা ছাড়া হুটহাট মিষ্টি খাওয়ার তাগিদও কমবে এই সময়ে। পাশাপাশি পানীয় জলে এক প্রকার ভেষজ সুগন্ধি ঘাস, খস বা ভেটিভার মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি পান করলে ত্বকের রন্ধ্র সঙ্কুচিত হয় এবং ঘামের দুর্গন্ধ কমে তবে অতিরিক্ত রোদ থেকে বাঁচতে কেবল ঘরোয়া টোটকা প্রয়োগ করলে চলবে না। মেনে চলতে হবে কয়েকটি নিয়ম।
যেমন,নিয়মিত জল এবং ওআরএস পান করা,দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে রোদে না বেরোনোর চেষ্টা করা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরা, যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে, বার বার বিশ্রাম নেওয়া এবং যতটা সম্ভব ঠান্ডা জায়গায় থাকা।








