
বিমান দুর্ঘটনার ঠিক পরের মুহূর্তেই তাপমাত্রা প্রায় ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। সেই আগুনে সম্পূর্ণরূপে ঝলসে মৃত্যু হয়েছে কুকুর, পাখিৱা পর্যন্ত উড়ে যেতে পারেনি। মেডিক্যাল কলেজ হস্টেলের ধ্বংস্তূপের মধ্যে থেকে পশু-পাখির পুড়ে যাওয়া দেহও মিলেছে।
বৃহস্পতিবারই আহমেদাবাদে পৌঁছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জানিয়েছেন, বিমানে ১ দশমিক ২৫ লক্ষ লিটার জ্বালানি ছিল, তাতে আগুন ধরে যাওয়ায় কাউকে বাঁচানো কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এসডিআরএফ-এর অফিসাররা জানিয়েছেন, ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁরা সেখানে পৌঁছেছিলেন। ততক্ষণে হস্টেল থেকে কয়েকজনকে উদ্ধার করেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু এসডিআরএফ-এর জওয়ানের গিয়া কাউকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারেননি।







