নুসরত-বিতর্ক এড়াতে তৎপর তৃণমূল

0
9

সংসদ সদস্য এবং অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের বিবাহ-বিতর্ক এড়াতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।ব্যক্তিগত বিষয় বলেই এই বিতর্ক থেকে নিজেদেরকে দূরে সরানোর কৌশল নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের টুইট সেই ইঙ্গিতই দিয়েছে। নুসরত ইস্যুতে বি জে পি-র আই টি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের টুইটের পরই কুণাল ঘোষ লিখেছেন, প্রসঙ্গ নুসরাত জাহান,বিষয়টি ব্যক্তিগত। 

এর সঙ্গে রাজনীতি বা দলের কোনো সম্পর্ক নেই। বিজেপির মালব্য এসব নিয়ে টুইট না করাই ভালো। মালব্যর টুইটের পর কুণাল ঘোষের এই বক্তব্য রাজনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।তাহলে কি নুসরতের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ছে? কুণাল ঘোষের বক্তব্য,এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে দল বা রাজনীতির কোনও বিষয় নেই। ব্যক্তিগত আলোচনায় ঢুকতে চান না। নুসরত একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী।এটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়।এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে, টুইটারে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ আরও লিখেছেন,তর্ক শুরু হলে বি জে পি-র পক্ষে ভালো হবে না। তৃণমূল মানুষের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। এর আগে,নুসরত জাহানের বিয়ে-বিতর্কে টুইটারে বি জে পি নেতা অমিত মালব্য লিখেছেন, কাকে তিনি বিয়ে করবেন,আর কার সঙ্গে তিনি থাকবেন, সেটা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ নুসরত জাহান রুহি জৈনের ব্যক্তিগত বিষয়।এ নিয়ে কারও মাথা ঘামানো ঠিক নয়। কিন্তু, তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। সংসদে রেকর্ড রয়েছে, তিনি নিখিল জৈনের সঙ্গে বিবাহিত। তাহলে কি সংসদে তিনি মিথ্যা কথা বলেছেন? ঘটনা হল ,বিবৃতি প্রকাশ করে নুসরত দাবি করেছেন, নিখিল জৈনের সঙ্গে তাঁর বিয়েই হয়নি। তাঁরা লিভ-ইন করেছিলেন। অথচ ২০১৯ সালের ১৯ জুন তুরস্কে ঘটা করে নুসরত-নিখিলের বিয়ের আসর বসেছিল। কলকাতার এক বিলাসবহুল হোটেলে তাঁদের রিসেপশনে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ হিসেবে শপথের সময়ও নিজেকে বিবাহিত পরিচয় দিয়েছিলেন নুসরত জাহান। বসিরহাটের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের দাবি, তাঁদের এই বিয়ে বৈধ নয়। এদিকে, সংসদে শপথবাক্য পাঠের সময় নিজেকে বিবাহিত পরিচয় দেন নুসরত। যা ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।