
শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এর জন্য নিয়মিত প্রয়োজন মতো জল পান করা উচিত।
প্রতিদিন অন্তত ৮-৯ গ্লাস জল পান করা উচিত। কিন্তু এক্ষেত্রে শিশুদের নিয়ে সমস্যায় পড়েন অভিভাবকরা।কারণ, শিশুরা কথা শুনতেই চায় না।এই অবস্থায় অন্যান্য ঋতুর মতো শীতেও শিশুকে হাইড্রেটেড রাখা প্রয়োজন। কারণ এই সময়ে জলের পিপাসা খুব একটা পায় না। কিন্তু শরীরে শক্তির মাত্রা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জলের প্রয়োজন হয়।শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে ডিহাইড্রেশন একটি সাধারণ উদ্বেগ। শীতের দিনগুলোতে প্রায়ই জল পান করা উপেক্ষা করা হয়। শীতে ঠাণ্ডা বাতাস শুষ্ক ত্বক ও শ্বাসযন্ত্রের শুষ্কতার কারণ, যা ডিহাইড্রেশনকে আরো বাড়িয়ে দেয়।তাই অভিভাবকদেরই উচিত শিশুদের হাইড্রেটেড রাখা এবং সুস্থ রাখার কিছু টিপস জেনে রাখা।সেই জন্যে শিশুর খাদ্যতালিকায় কমলালেবু, শসা, তরমুজ ও টমেটোর মতো উচ্চ পানীয় উপাদানযুক্ত ফল ও শাকসবজি রাখুন। এগুলো তাদের হাইড্রেটেড রাখার জন্য দুর্দান্ত।পাশাপাশি স্যুপ খাওয়ান,স্যুপ শীতকালীন প্রিয় একটি খাবার। যা শিশুদের হাইড্রেট করার একটি দুর্দান্ত উপায়।বাড়িতে তৈরি সবজি বা মুরগির স্যুপ বেছে নিতে পারেন। এগুলো পুষ্টিকর ও হাইড্রেটিং উভয়ই নিশ্চিত করে। অন্যদিকে শিশুদের জন্য দই, স্মুদি বা টাটকা ফলের রস থেকে তৈরি পপসিকলস হাইড্রেটিং ও মজাদার হতে পারে। এই বিকল্পগুলো হাইড্রেশনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। তবে চিনিযুক্ত ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।চিনিযুক্ত সোডা বা ক্যাফিনযুক্ত পানীয় ডিহাইড্রেশনে বাড়িয়ে দিতে পারে। ডাবের জল বা চিনি ছাড়াই টাটকা ফলের রসের মতো প্রাকৃতিক হাইড্রেশন উৎসগুলো বেছে নিন। ওদিকে শিশুরা প্রায়ই সক্রিয় থাকে, এমনকি শীতকালেও। খেলাধুলা বা বাইরের কার্যকলাপের সময় বা তার আগে যেন সন্তান হাইড্রেটেড থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।এই অবস্থায় গরম জল, ভেষজ চা বা মিশ্রিত উষ্ণ ফলের রসের মতো গরম পানীয় ঠাণ্ডা জলের চমৎকার বিকল্প। এই পানীয়গুলো কেবল হাইড্রেটই নয়, উষ্ণতা ও আরাম দেয়।পাশাপাশি,হাইড্রেটেড থাকা কেন অপরিহার্য, সে সম্পর্কে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া উচিত।
এর ফলে তারা স্বেচ্ছায় জল পান করতে অনুপ্রাণিত হবে। শিশুদের ডিহাইড্রেশনের সাধারণ লক্ষণগুলো, যেমন,শুষ্ক ঠোঁট, ক্লান্তি, বা প্রস্রাব হ্রাসের মতো সাধারণ লক্ষণে নজর রাখুন।





