
কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় তৃণমূল ভবন খালি করার কাজ শুরু হয়েছে। চুক্তির বাইরে তাকা ২টো ফ্লোর দখলমুক্ত করা হয়েছে।
চুক্তির বাইরে থাকা ৩ এবং ৪ তলার তৃণমূলের অফিসে তালা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই বহুতল ভবনটির একতলা এবং দোতলা থেকে জিনিসপত্র সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। দলের তরফেই আসবাবপত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই ভবনটি মালিক মনোতোষ সাহা বা মন্টু সাহা। চুক্তিতে ২ টি ফ্লোর থাকলেও জোর করে ৪টি ফ্লোরই ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ। এই মন্টু সাহার মডার্ন ডেকোরেটিং তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন সব কর্মসূচির বরাত পেতেন। এমনকি ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের মঞ্চও মন্টু সাহার মডার্ন ডেকোরেটিং তৈরি করতেন। ভোটের ফল বেরনোর পর অবশ্য মন্টু সাহা তৃণমূল ভবন ছাড়তে চাপ দিতে থাকেন। তিনি দাবি করেন বার বার বলার পরেও ওই ভবন খালি করছে না তৃণমূল। এই অভিযোগ নিয়েই প্রগতি ময়দান থানায় দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তৃণমূলের তরফেও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য থানায় গিয়েছিলেন। যদিও মন্টু সাহার দাবি ছিল দলের সঙ্গে ২০২৭ পর্যন্ত চুক্তি ছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পরেই ওই বাড়ির ভাড়া দিতে অস্বীকার করেন মন্টু সাহা।
২০২১-এ পুনরায় তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর উত্তর পঞ্চান্নগ্রামে বাইপাসের ধারে পরনো তৃণমূল ভবন ভেঙে নতুন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই থেকেই কলকাতার মেট্রো পলিটনের এই পাঁচতলা বাড়িটি অস্থায়ী তৃণমূল হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়।








