
ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে বিরল ও অবিশ্বাস্য এক ঘটনার সাক্ষী থাকল ক্যাম্পোনাতো মিনেইরোর ফাইনাল। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ক্রুজেইরো ও অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর মধ্যকার ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ভয়াবহ হাতাহাতি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে শেষ পর্যন্ত ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখাতে হয়।এর মধ্যে ক্রুজেইরোর ১২ জন এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর ১১ জন খেলোয়াড় রয়েছেন।বেলো হরিজন্তে অনুষ্ঠিত ফাইনালে কাইও জর্হের একমাত্র গোলে ১–০ ব্যবধানে জয় পায় ক্রুজেইরো। প্রাক্তন ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ তিতের অধীনে দলটি ২০১৯ সালের পর প্রথমবার মিনাস জেরাইস রাজ্যের চ্যাম্পিয়ন হয়।তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সংঘটিত সহিংসতা পুরো আনন্দঘন পরিবেশকে ম্লান করে দেয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাকর্মী ও মিলিটারি পুলিশকে মাঠে হস্তক্ষেপ করতে হয়।ঘটনার সূত্রপাত ঘটে যখন অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর গোলরক্ষক এভারসন ক্রিস্টিয়ানকে মাটিতে ঠেলে দেন এবং ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডারের বুকের ওপর হাঁটু রাখেন। লুজ বলের পেছনে দৌড়ানোর সময় এই সংঘর্ষ ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে ক্রিস্টিয়ানের সতীর্থরা এভারসনের দিকে ধেয়ে যান এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে গোলপোস্টের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।এরপর দুই দলের আরও খেলোয়াড় এতে জড়িয়ে পড়েন। নিরাপত্তাকর্মীরা খেলোয়াড়দের আলাদা করার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ম্যাচ চলাকালীন রেফারি মাতেউস ডেলগাদো কান্দানকান কোনো লাল কার্ড দেখাননি। তবে খবরে বলা হয়েছে,সংঘর্ষের কারণে মাঠে তাৎক্ষণিকভাবে কার্ড দেখানো সম্ভব না হওয়ায় পরে ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়।
ক্রুজেইরোর ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পান, যার মধ্যে গোলদাতা কাইও জর্হেও রয়েছেন।অন্যদিকে অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর ১১ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে প্রাক্তন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ ও নটিংহ্যাম ফরেস্টের ডিফেন্ডার রেনান লোদি এবং ব্রাজিলের তারকা ফরওয়ার্ড হাল্কও রয়েছেন।









