
২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে কাজে লাগিয়ে এখন আগের চেয়েও শক্তিশালী ও নিখুঁত হয়ে উঠেছে হ্যাকাররা।জেমিনাই থেকে শুরু করে ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার অনলাইন জগতকে করে তুলেছে চরম অনিরাপদ, যা সাধারণ মানুষ ও বড় বিভিন্ন কোম্পানিকে আর্থিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
এ বছরের শুরুতে সাইবার অপরাধীদের একটি নতুন ও উদ্বেগজনক কৌশল শনাক্ত করেছেন গুগলের সাইবার নিরাপত্তা গবেষকরা।বলা হচ্ছে,হ্যাকাররা এমন কিছু ফাঁদ তৈরি করতে এআইচালিত টুলের সমন্বয় ব্যবহার করছে, যা থেকে রক্ষা পাওয়া প্রায় অসম্ভব।এসব সাইবার হামলায় গুগলের জেমিনাই ব্যবহার করে টুল তৈরি,অপারেশনাল গবেষণা চালানো ও প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানের কাজ করা হচ্ছে। এরপর ডিপফেক ব্যবহার করে জুম কলের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে।বিশেষ এক ঘটনায়, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে জড়িত হ্যাকাররা একজন সিইও’র এআই জেনারেটেড ডিপফেক তৈরি করে এক ব্যক্তিকে তার কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নষ্ট করতেও প্ররোচিত করেছিল।এ সাইবার আক্রমণ পদ্ধতিটি এআইনির্ভর অনলাইন অপরাধের নতুন এক জোয়ারের অংশ,যার ফলে সাইবার আক্রমণ, স্ক্যাম ও আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।এআইয়ের এই অপব্যবহার মানুষের সহজাত বিভিন্ন দক্ষতা, যেমন অন্যকে প্রভাবিত, অনুকরণ বা কোডিং করার ক্ষেত্রে এমন এক শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত করছে, যা যে কোনো লক্ষ্যবস্তুর জন্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা একে সাইবার অপরাধের ফিফথ ওয়েভ হিসেবে বর্ণনা করছেন। এর ফলে কোম্পানি ও ব্যক্তিবিশেষ উভয়ই বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে ও ইন্টারনেট জগত আগের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।









