
দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের পথে এবার পুলিশি ব্যারিকডে টপকিয়েছেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র, সুস্মিতা দেব, সপা সাংসদ অখিলেশ যাদব। পুলিশের বাধা পেয়ে রাস্তাতেই বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে ডিম্পল যাদব, একাধিক মহিলা সাংসদ। উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ একাধিক সাংসদ। তারা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর পর্যন্ত যেতে চান তাঁরা।
কিন্তু পুলিশের তরফে লাগাতার মাইকিং করে বলা হচ্ছে, এখানে জমায়েতের অনুমতি নেই। বিরোধীদের পূর্ব পরিকল্পিত কর্মসূচি ছিল নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর ঘেরাওয়ের। সেই কর্মসূচি অনুযায়ীই সকাল সাড়ে ১১টার সময় সংসদের মকর দ্বারে জমায়েত করেন প্রায় ২০০ সাংসদ। এরপর তাঁরা একসঙ্গে এগোতে থাকেন। কিন্তু মিছিল শুরুর মুখেই বাধাপ্রাপ্ত হয়। মাত্র ৪০০ মিটার এগোতেই পুলিশ বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয়। ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেওয়া হয়। মহুয়া মৈত্র, সুস্মিতা দেব, একে একে সাংসদরা ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করেন। মহিলা পুলিশ তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। শেষে পুলিশ বিরোধী সাংসদদের জোর করে বাসে তুলে নিয়ে যায়।
তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেছেন, বিরোধী জোটের প্রত্যেক সাংসদ নিবাচন কমিশনের সামনে প্রতিবাদ করতে নেমেছেন। কারণ, যাঁরা দেশের নাগরিক, তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে কমিশন। তৃণমূল সাংসদদের প্রশ্ন, যদি ভোটার তালিকায় ভুলই থাকে, তা হলে ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন কী ভাবে হলো? মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এর জবাব দিতে হবে। না হলে উনি পদ ছাড়ুন।
