
দীর্ঘদিনের মার্কিন দখলদারিত্ব এবং বাগদাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরাকের শক্তিশালী প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো। মার্কিন সেনারা যদি অবিলম্বে ইরাক ত্যাগ না করে এবং রাজনৈতিক স্বার্বভৌমত্বে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ,ইরাকি রেজিস্ট্যান্স কোঅর্ডিনেশন কমিটি।
এদিকে ইরাকের আকাশ ও মাটি থেকে এখনো মার্কিন ছায়া সরেনি। দেশটির সার্বভৌমত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখনো সেখানে অবস্থান করছে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা। এরপর এক যৌথ বিবৃতিতে ইরাকের ছয়টি বড় প্রতিরোধ গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত,ইরাকি রেজিস্ট্যান্স কোঅর্ডিনেশন কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিনীদের এই দীর্ঘসূত্রিতা আর সহ্য করা হবে না।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাগদাদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী সমস্ত বিদেশি সেনার ইরাক ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমেরিকা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু সেনাই নয়, ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিরাপত্তা হুমকি তৈরির অভিযোগও এনেছে এই কমিটি।
একে ইরাকি জনগণের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের ওপর নগ্ন লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।তবে এবারের উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে ইরাকের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মার্কিন খবরদারি।প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নূরি আল-মালিকিকে কেন্দ্র করে ইরাকের রাজনীতিতে এক অচলবস্থা তৈরি হয়েছে।ইরাকের বৃহত্তম সংসদীয় ব্লক নূরি আল-মালিকিকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করলেও সরাসরি তার বিরোধিতা করছে হোয়াইট হাউস।







