
ক্লাস টেনের ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ও দোষীকে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জলপাইগুড়ি বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক রিন্টু শূর এই নির্দেশ দিয়েছেন।
২০২০-র অগাস্টে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। প্রায় ৫ বছর ধরে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের পর বুধবার ৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে কোর্ট। সরকারপক্ষের আইনজীবী দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন যাবতীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে বিচারক অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা দিয়েছেন। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে ২০০০ সালের ১০ অগাস্ট ক্লাস টেনের ছাত্রীকে রহমান আলি নামে একজন তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর থেকে আর খোঁজ মেলেনি ওই নাবালিকার। ঘটনার দিন রাতে নাবালিকার ফোনে ১০ সেকেন্ডের কল রেকর্ড পাওয়া যায়। সেই কল রেকর্ড থেকে জানা যায় রহমানের নাম। এরপরে মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে তদন্তে নেমে রহমানকে গ্রেফতার করে। জেরায় রহমান জানায় সে জামিরুল ও সামিরুলের সঙ্গে মিলে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে দেহ প্রধানপাড়া এলাকার কাজিগর রহমান নামে একজনের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দিয়েছে।
নাবালিকা নিখোঁজের ১০ দিন পর সেপটিক ট্যান্ড থেকে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।






