শীতে রোগ থেকে বাঁচতে 

0
181
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

শীতের সময়ে সংক্রমণজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ে। প্রতি বছরই তা হয়।

 

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, রোগীদের বেশির ভাগই ভুগছেন সর্দিকাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের মতো সমস্যায়। এই রোগীদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা মহিলারাও রয়েছেন। অনেকেই বলছেন, সর্দি বা কাশি এক বার ধরলে আর সারতেই চাইছে না। সেই সঙ্গে নানা রকম অ্যালার্জির লক্ষণও দেখা দিচ্ছে।এই অবস্থায় মাস্ক পরা খুব জরুরি। এতে দূষণ তো বটেই জীবাণু সংক্রমণও কিছুটা হলেও রুখে দেওয়া যায়।ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ধোঁয়া-ধুলোবালি বেশি আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলবেন। জ্বর বা সর্দিকাশি হলেই অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলবেন না। ভাইরাল জ্বর বা সংক্রমণ অ্যান্টিবায়োটিকে সারে না। তাই না জেনেবুঝে ওষুধ খেলে অসুখ তো সারবেই না, উল্টে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু তৈরি হয়ে যাবে শরীরেই।আবার,হাঁপানি, সিওপিডি বা শ্বাসের কোনও সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ইনহেলার ও আনুষঙ্গিক ওষুধ খেতে হবে। প্রতি পাঁচ বছরে এক বার নিউমোকক্কাস টিকা আর ফি-বছর ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নেওয়া খুব জরুরি। এছাড়া শীতের সময়ে বাইরের খাবার, কাটা ফল বা দীর্ঘ সময়ে কেটে রাখা কাঁচা স্যালাড খাওয়া ঠিক হবে না। এই ধরনের খাবার থেকেই রোগজীবাণু ছড়ায় বেশি। তা ছাড়া যে কোনও রকম ঠান্ডা পানীয়, প্যাকেটের পানীয় বিপজ্জনক হতে পারে।সেইসঙ্গে ভিটামিন সি যুক্ত ফল, মরসুমি সব্জি বেশি খেতে হবে।ম্যাগনেশিয়াম আছে এমন খাবার বেশি খেতে হবে। সবুজ শাকের মধ্যে ম্যাগনেশিয়াম বেশি থাকে। বাদাম, কুমড়োর বীজ, পেস্তা, কাঠবাদাম,সূর্যমুখীর বীজে ম্যাগনেশিয়াম বেশি থাকে।

 

মাছ, কলা এবং ডার্ক চকলেটে ম্যাগনেশিয়াম থাকে। এই ধরনের খাবার খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে।