
সংসদে মিষ্টির দোকান খুলতে চেয়ে কীর্তি আজাদ, সৌগত রায় এবং দলের এক মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদের দাবি ওই মহিলা সাংসদ বলেছেন তাঁকে নাকি জেলে ঢোকাবেন।
তাঁর অভিযোগ মেয়েকে নিয়েও মিথ্যে কথা বলেছেন ওই মহিলা সাংসদ। তাঁর দাবি ২০০৯-র পর এসেছে। কংগ্রেসের কোনও বড় নেতার বান্ধবী বলেই তো জেলার রাজনীতিতে ঢুকে গিয়েছিল। এদের সব ব্যাকগ্রাউন্ড এমন। তাঁর অভিযোগ ওই মহিলা সাংসদ সংসদে শুধু নরেন্দ্র মোদী এবং আদানিকে নিয়ে কথা বলেন। বিজেপির অন্য কোনও ইস্যু নিয়ে সরব হন না। তিনিই একা লড়াই করেন। একদিন অধিবেশনে না গেলে বুঝতে পারবে কি হয়। তিনি বলেছেন ইংরেজিতে ফটরফটর করা মানে পুরুষকে অপমান করা নয়। দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কের এক মিষ্টির দোকানের আউটলেট সংসদ ভবনে খোলার জন্য তদ্বির করেছেন দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কয়েকজন মহিলা সংসদ এবং দু’চার জন পুরুষ সাংসদদের চিঠি নিয়েছিলেন। স্পিকারের উদ্দেশে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয় চিত্তিরঞ্জন পার্কের সন্দেশের দোকানের কাউন্টার খোলা হোক সংসদে। তাতেই আপত্তি তোলেন লোকসভার তৃণমূলের মুখ্যসচেতক তথা চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন তৃণমূল বেসরকারি ব্যবসাতে আগ্রহী নয়। তাঁকে বলা হয়েছে প্রাইভেট ম্যাটার।
অন্য দল থেকে এসে তৃণমূলের প্রতীকে সাংসদ হয়ে সই সংগ্রহ করছে। তাহলে প্রাইভেট ম্যাটার হল কি করে প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
