
পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। এমনই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
একইসঙ্গে রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য শুধু রাজ্য পুলিশকে অপমান নয়, অশোক স্তম্ভের অপমান।এমন মন্তব্যে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, যা আইন-শৃঙ্খলার জন্য বিপজ্জনক। সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী উচিত তাঁকে মন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করা।শনিবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লেখার পাশাপাশি দিল্লিতে কমিশনের দফতরে যান তৃণমূল ৫ সদস্যের সংসদীয় প্রতিনিধি দল। যেখানে ছিলেন, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, কীর্তি আজাদ, সুস্মিতা দেব ও সাকেত গোখলে। কমিশনকে লেখা চিঠিতে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী কোনও নির্বাচনী কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হলে, সেই ইউনিটের সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু রাজ্য পুলিশকে পাশ কাটিয়ে বিজেপির নির্দেশমতো বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভয় দেখানো হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যাতে নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, নিয়মমতো কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশকে মোতায়েন করা হোক। যাতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, একদিকে হাওয়াই চটির সঙ্গে অশোক স্তম্ভকে মিলিয়ে একটা বক্তৃতা করে সস্তার হাততালি কুড়নো।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে ৬টা উপনির্বাচনের ফলাফল তাদের পক্ষে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, এর তীব্র বিরোধিতা করছে তৃণমূল কংগ্রেস।
ছবি সৌজন্যে : এক্স








