
মালদার তৃণমূল সহ সভাপতি দুলাল সরকার ওরফে বাবলাকে খুনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল। এমনই জানিয়েছেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার।
পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, নরেন্দ্রনাথের সঙ্গে দুলালের গন্ডগোলের কথা। খুনের নেপথ্যে আর্থিক লেনদেনের বিষয় উঠে এসেছে। যদিও কোন বিষয়ে ওই টাকার লেনদেন হয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বুধবার নরেন্দ্রনাথ এবং স্বপনকে আদালতে হাজির করানো হলে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লেনদেন, ফোনের কল রেকর্ডিং ইত্যাদি দেখে ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে দু’জনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। আদালতে সরকারি আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল বলেছেন, এটা রাজনৈতিক খুন। তৃণমূল নেতা নরেন্দ্রনাথ এবং স্বপনের আইনজীবীরা আদালতে জানান, তাঁদের মক্কেলরা শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তাই তাদের জামিন মঞ্জুর করা হোক। যদিও আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক। তৃণমূল নেতা খুনে এ পর্যন্ত সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুপ্রতিম বলেছেন, এই মামলার দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।








