
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূলের দুই পক্ষই। বুধবার কলকাতা, হাওড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে একদিকে যেমন হাজির হয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, কুণাল ঘোষরা।
তেমনই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারাও। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সোমবার তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয় উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে। বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভানেত্রী ঘোষণা করে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দিয়েছেন। ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন সম্বিলিত রেজিলিউশন দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচেতক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে। এছাড়া ডেপুটি লিডার হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহার নাম। এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেছিলেন।
মুখ্য সচেতক করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমকে। কিন্তু এরপরেই সইকাণ্ড সামনে আসায় স্পিকার রথীন্দ্র বসু এখনও কাউকে বিরোধী দলনেতা মনোনীত করেননি।








