
সোনারপুরে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে মার খেলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ তেমনই। হুগলির চণ্ডীতলা থানার সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভকর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। থানায় ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল।
সেখানে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে চোর স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। কালো পতাকা দেখানো হয়। সেই সময় মারধরের অভিযোগ ওঠে। রাস্তায় শুয়ে পড়েন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। তাঁর মাথায় লাগে বলে অভিযোগ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাখেন তৃণমূল কর্মীরা। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্ধার করে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন এই ঘটনা এসডিপিও আর আইসির সামলানোর ক্ষমতা নেই। তাই বিজেপিকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে তারা পালিয়েছেন।
সুয়োমোটো কেস করা উচিত ছিল, কিন্তু আইসি ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে। তিনি বলেছেন যে সাংসদরা তৃণমূলের হয়ে লড়াই করবে বলছে তাদেরই টার্গেট করা হচ্ছে। শনিবারই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোনারপরে গেলে জনরোষের মুখে পড়েন। ডিম, জুতো ছোড়া হয়। চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থার প্রতিবাদে শনিবার রাতে পিপুলপাতিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। অভিযোগ সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি বেধে যায়। এই ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা সহ একাধিক অভিযোগে চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার, চুঁচুড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা সহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।








