
শেষ পর্যন্ত তৃণমূলই ছেড়ে দিলেন বিদ্রোহীরা। যোগ দিচ্ছেন ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে।
বাঙালি কেন্দ্রীক দলটি ত্রিপুরা ও অসমে আগে থেকেই কাজ করছে। বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা যুক্ত হওয়ার পর এনসিপিআই পশ্চিমবঙ্গেও পার্টি অফিস খুলবে। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা এনডিএতে সরাসরি যোগ দিতে পারবেন না বলে তত্ত্ব উঠে আসছিল। রবিবার যখন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা বৈঠক করছিলেন। তখন মমতাপন্থী তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ, কীর্তি আজাদ স্পিকার ওম বিড়লার বাড়িতে চিঠি দিয়ে আসেন। চিঠিতে আবেদন করা হয় কোনও বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীকে যেন মর্যাদা দেওয়া না হয়। কার্যত আইনি জটিলতা এড়াতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদ্রোহী ২০ সাংসদ। ২০২৩ সালে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করে এনসিপিআই। দলের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে বৈঠক থেকে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে দলটির। সেই দলেই যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। স্পিকার ওম বিড়লার বাড়িতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে বেরিয়ে এসে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন ন্যাশনালিস্ট পার্টির সঙ্গে জুড়ছেন তাঁরা। ২০ জন নির্বাচিত সাংসদ স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেছেন চিঠিও দেওয়া হয়েছে। ২০ জন সাংসদ মোট শক্তির দুই তৃতীয়াংশ।
ন্যাশনালিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। এরপর এনডিএ নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন।
