সব কর্মফল, বিস্ফোরক দেব

0
21
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব

তৃণমূল আমলে আমি টলিউডে যেভাবে ভুগেছি, সেটা অন্তত নতুন সরকারের আমলে হবে না বলেই আশা করছি…, দিন কয়েক আগেই এক সিনেমার প্রিমিয়ারে গিয়ে বোমা ফাটিয়েছিলেন দেব। রাজনীতির পিচে তিনি সৌজন্যের পোস্টার বয়। তৃণমূলের তারকা সাংসদ হলেও প্রাক্তন শাসকদলের রক্তচক্ষু, নিষিদ্ধ সংস্কৃতির উর্ধ্বে গিয়ে বিজেপি সমর্থক সেলেবদের সঙ্গে সিনেমা করেছেন।

এমনকী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তীদের মতো বি জে পি শিবিরের তারকা মুখদের নিজের ছবিতে কাস্ট করার জেরেও কম বিপাকে পড়তে হয়নি দেবকে। তবু সিস্টেমে থেকে বুক ঠুকে সিস্টেমকে প্রশ্ন করার সাহস রেখেছেন সুপারস্টার দেব। বিশেষ করে ব্যান কালচার নিয়ে স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে সম্মুখ সমরে গিয়ে একাধিকবার চর্চার শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছেন তারকা সাংসদ। কিন্তু এবার যখন টলিউডের সেই ত্রাস দুর্নীতির দায়ে ১৩ দিনের পুলিশ হেফাজতে, এপ্রসঙ্গে দেবের কী মত? স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর বিশ্বাস ব্রাদার্স-এর দৌড়াত্ম্য নিয়ে মুখ খুলেছেন দেব। তাঁর মন্তব্য, যে যার কর্মফল ভুগবে। হেরে যাওয়া মানুষকে নিয়ে আর কী বলব। ওঁর যখন ভালো সময় ছিল, তখন বাকি সকলের খারাপ সময় এনে দিয়েছিলেন। আর দেব এমন মানুষ নয় যে, কারও খারাপ সময় নিয়ে কিছু বলবে। এখন অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু লাভ কী।

সিস্টেমে থেকেও স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বুক ঠুকে লড়াই জারি রেখেছিলেন তৃণমূলের সাংসদ অভিনেতা দেব। ডিরেক্টর্স গিল্ডের প্রতিবাদ হোক কিংবা ফোরাম-ফেডারেশনের মিটিং, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যান হওয়া শিল্পীদের হয়ে বরাবর সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে সুপারস্টার সাংসদকে।তার জন্যে অবশ্য মাশুলও কম গুনতে হয়নি দেবকে। স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর অভিনেতা-প্রযোজক দেবের কথায়, তাঁকেও বলা হয়েছিল প্রকাশ্যে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষমা চাইতে। নইলে তাঁর কাজ কেড়ে নেওয়া হবে,এমন কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি তাঁর লড়াইটা জারি রেখেছিলেন। আর আজকে তিনি তাঁর নিজের কর্ম ফল পেলেন।