
ভিনরাজ্যে বাংলাভাষিদের নিগ্রহ ও হেনস্তা ইস্যুতে আলোচনা চেয়ে সংসদে নোটিস দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তৃণমূলের সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে কেন্দ্র।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের পাশে ছিল কংগ্রেসও। কংগ্রেস শিবিরও ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্তা ইস্যুতে আলোচনা চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূলের নোটিস গৃহীত হয়নি। পরে এ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, সংখ্যাধিক্যের বলে সংসদে নোটিস খারিজ করা যায়। কিন্তু মানুষের আন্দোলনকে রুখে দেওয়া যায় না। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলা বলাটা যেন অপরাধে পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে বাংলা এবং বাঙালিকে কোণঠাসা করার চেষ্টা হচ্ছে। অন্যদিকে, শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তৃণমূল স্লোগান দিয়েছি যে সমগ্র ভারতের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালিদের অপমান করা হচ্ছে। তারা বাঙালিদের উপর নির্যাতন করছে। তারা বাঙালিদের তুলে নিয়ে বাংলাদেশে ফেরত ঠেলে দিচ্ছে।
গুজরাট থেকে কিছু লোক দেশকে শাসন করবে? বাঙালিরা সবসময় সামনের সারিতে থাকে। স্বাধীনতার লড়াইয়ে বাঙালিরা ছিল, গুজরাটিরা তখন ছিল না।







