
তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।এই গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত জল ঘাম হয়ে বের হয়ে যায়।এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
এর ফলে শরীরে অস্বস্তি, ক্লান্তির মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীর হাইড্রেটেড রাখতে খেতে হবে জল ও জলযুক্ত খাবার। এদিকে পূর্ণবয়স্ক একজন মহিলার দিনে অন্তত ২.৫-৩ লিটার এবং পূর্ণবয়স্ক একজন পুরুষের ৩-৩.৫ লিটার জল পান করা উচিত। তবে, কিডনি রোগীদের অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করেই জলের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। যেমন ধরুন কাঁচা আম পানিশূন্যতা দূর করার জন্য খুবই ভালো। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। এছাড়া, ভিটামিন সি ও ম্যাগনেশিয়ামও আছে। শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। তরমুজ শরীর ঠান্ডা করতে সাহায্য করে।এতে আছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য দরকার। তরমুজ একটি খুবই পুষ্টিকর একটি ফল, যা খুবই সহজলভ্য এবং দামেও তুলনামূলক সস্তা।এছাড়া, শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজ-র তুলনা নেই। অন্যদিকে,কাঁচা পেঁপে, পটল, চিচিঙ্গা, গাজর, লাউ, পেঁপে, ধুন্দল, শসা, পালংশাক, টমেটো, শসায় জলের পরিমাণ বেশি থাকে। জলশূন্যতা দূর করতে এই খাবারগুলো অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়া, পাতলা করে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। যাদের ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায় তারা এ সময় ঢেঁড়স ও বেগুন এড়িয়ে চলুন। আখের রস শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সঙ্গে বিট লবণ, পুদিনা পাতা এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বাড়ে, পুষ্টিগুণও বাড়ে। পাশাপাশি,বেলের শরবত পাকস্থলি ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর।
বেলে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১ এবং বি২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার।শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং সতেজ অনুভূতির জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।









