
আজকাল অনেকেই পেটের মেদের সমস্যায় ভুগছেন। এই অতিরিক্ত চর্বি শুধু দেখতে খারাপই নয়, তা নানা রোগের কারণও হতে পারে। তবে দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললেই পেতে পারেন মেদহীন, সুস্থ শরীর।অ্যালকোহল বা মদ্যপান শরীরের খিদে ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনে প্রভাব ফেলে।
এতে থাকে উচ্চ ক্যালরি, যা সরাসরি পেটের মেদ বাড়ায়। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে ভালো।প্রথমেই কার্বোহাইড্রেট কমান।কার্বোহাইড্রেট শক্তির উৎস হলেও যদি আপনি খুব একটা শারীরিক পরিশ্রম না করেন, তাহলে অতিরিক্ত কার্ব খাওয়া উচিত নয়।কম শর্করা জাতীয় খাবার মেদ কমাতে সাহায্য করে।সেইসঙ্গে,সঠিকভাবে জল পান করুন।খাবারের আগে ও পরে জল পান করা উপকারী। তবে খাওয়ার সময় জল খেলে হজমে বিঘ্ন ঘটতে পারে, তাই তা এড়িয়ে চলাই ভালো। খাবার খাওয়া শেষে জল পান করুন। পাশাপাশি,হাঁটার সময় জল পান করুন, শরীর হাইড্রেটেড থাকবে। উল্টোদিকে প্রোটিন গ্রহণ বাড়ান।ওজন অনুযায়ী প্রতিদিন প্রোটিন গ্রহণ জরুরি। প্রতি পাউন্ড শরীরের ওজন অনুযায়ী ০.৮ গ্রাম থেকে ১ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন খাওয়া উচিত। প্রোটিন মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে এবং খিদে কমায়।এছাড়া,নিয়মিত ব্যায়াম করুন,শুধু কার্ডিও করলে খুব বেশি ক্যালরি বার্ন হয় না।তাই মাংসপেশি গঠনের দিকে মনোযোগ দিন। এতে শরীর সুগঠিত হবে ও মেদও কমবে।
এর বাইরে,মানসিক চাপ বেশি নিলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়,যা পেটের মেদ বাড়াতে পারে। ধ্যান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পছন্দের কাজ করে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।অন্যদিকে,ঘুমের অভাবে শরীরের খিদে বেড়ে যায় এবং শক্তি কমে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি, না হলে মেদ কমানো কঠিন হয়ে পড়ে।
