ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে

0
76
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

বর্তমানে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার অভাবে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, সঠিক ডায়েট ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে লিভারে জমা হওয়া অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

গবেষণা অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটার মতো ব্যায়াম লিভারের ফ্যাট কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া স্ট্রেন্থ ট্রেনিং বা পেশি গঠনের ব্যায়াম মেটাবলিজম বাড়ায়, যা শরীর বিশ্রামে থাকা অবস্থাতেও ফ্যাট পোড়াতে সাহায্য করে। আসলে এটি কেবল ফ্যাটই কমায় না, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা ও রক্ত সঞ্চালনও উন্নত করে। এই অবস্থায় লিভার সুস্থ রাখতে খাদ তালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।যেমন,সবুজ শাকসবজি,পালং শাক, মেথি ও ব্রকলিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ উপাদান লিভার পরিষ্কার রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাটেচিন উপাদান লিভারে চর্বি জমতে বাধা দেয়। প্রতিদিন দু’ থেকে তিন কাপ গ্রিন টি পানের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।এ ছাড়া সকালে খালি পেটে লেবু বা হলুদ মেশানো জল পান করাও লিভারের কোষের জন্য উপকারী।ওদিকে,ফ্যাটি লিভারের প্রধান শত্রু হলো অতিরিক্ত চিনি ও উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার। কেক, পেস্ট্রি, মিষ্টি ও কোমল পানীয় লিভারে সরাসরি চর্বি জমায়।

সুস্থ থাকতে এই ধরনের খাবারগুলো ডায়েট থেকে বাদ দেওয়া বা কমিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি।পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই ধীরে ধীরে ওজন কমানো এবং তা নিয়ন্ত্রণে রাখা লিভারের কার্যকারিতা পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রধান উপায়।