গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

33 C
Kolkata
33 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে

    হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে

    0
    831
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    সাধারণতঃ বলা হয়,দৈনন্দিন জীবনে সহজ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে পারলেই এড়ানো যেতে পারে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি। সম্প্রতি অল্প বয়সীদের মধ্যেও বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক,স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা।

    তাই দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজন নিয়মশৃঙ্খলা। ছোট ছোট কোনো পরিবর্তনের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারবেন।ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিতেই হবে। সেইসঙ্গে হার্ট ভালো রাখতে চাইলে অ্যালকোহলের অভ্যাসও ত্যাগ করা জরুরি।তবেই হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকবে। পাশাপাশি,ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিন। প্রতিদিনের মেনুতে ফাইবার যুক্ত খাবারই বেশি রাখতে পারলে ভালো। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ফাইবার।তার ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক- এসব রোগের ঝুঁকি কমবে। এদিকে নিয়মিত শরীরচর্চা করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে। যত বেশি ওজন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তত বেশি। তাই ওজন কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নজর দিতে হবে খাওয়া-দাওয়ার দিকেও।শুধু চিনি নয়, লবণ খাওয়ার পরিমাণও কমাতে হবে। বেশি লবণ খেলে ব্লাড প্রেশার বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতাও। তাই ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ কিন্তু একেবারেই খাওয়া যাবে না।অন্যদিকে,স্ট্রেসের কারণেও কিন্তু হার্টের অসুখ হয়। স্ট্রোক কিংবা হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে। অল্প বয়সীরা তাই যেভাবেই হোক স্ট্রেস কমান। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য নিন। স্ট্রেস কমাতেই হবে হার্ট ভালো রাখতে চাইলে।এছাড়া,ডার্ক চকোলেট, গ্রিন টি কিংবা লিকার চা খেতে পারেন অল্প পরিমাণে। এগুলো হৃদযন্ত্রের ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। কিন্তু স্বল্প পরিমাণে খেতে হবে। নাহয় উপকারের তুলনায় সমস্যা হবে বেশি।

    পাশাপাশি,নিয়মিত ব্লাড প্রেশার, সুগার,এই দুটো চেক করাতে হবে। সামান্য ওপর-নিচ হলেই সতর্ক হওয়া জরুরি। না হয় হার্ট ফিট থাকবে না,তাই ডাক্তার দেখানোর ব্যাপারে অনীহা বাদ দিন। মাঝে মাঝে অবশ্যই শরীরের চেকআপ করানো জরুরি।