
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লড়াই হলো দারুণ। ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। শুরুতে পাওয়া গোল আগলে রেখে দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল টটেনহ্যাম হটস্পার।টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিক দল।চোট কাটিয়ে প্রায় চার সপ্তাহ পর মাঠে ফিরেই দলের জয়ের নায়ক জেমস ম্যাডিসন।
আসরে প্রথম দেখায় সেপ্টেম্বরে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৩-০ গোলে জিতেছিল টটেনহ্যাম।১৯৮৯-৯০ সিজনের পর প্রথমবার ইউনাইটেডের বিপক্ষে লিগে দু’বারের দেখাতেই জিতল তারা।চলতি সিজনে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে দু’ দলের তিনবারের দেখায় সবকটিতে জয়ী দল টটেনহ্যাম। ডিসেম্বরে লিগ কাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে দলটি জিতেছিল ৪-৩ গোলে। ভীষণ বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া ইউনাইটেড টানা দুটোসহ লিগে শেষ ১২ ম্যাচের ৮টিতেই পেল হারের স্বাদ ,৩ জয়, ১ ড্র। টটেনহ্যামের সময়টাও ভালো কাটছে না। এই জয়ের আগে লিগে ১১ রাউন্ডের ৮টিতে হারে তারা।এর মধ্যে ইউনাইটেড ম্যাচের আগে ক্লাবের মালিকপক্ষ ও চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল লেভির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেয় এক হাজারের বেশি টটেনহ্যাম সমর্থক।স্টেডিয়ামেও নানা ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানায় তারা। দশম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় ইউনাইটেড। মুহূর্তের ব্যবধানে রাসমুস হয়লুন ও আলেহান্দ্রো গার্নাচোর শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক গুলিয়েলমো ভিকারিও। তিন মিনিট পর এগিয়ে যায় টটেনহ্যাম। বক্সের ভেতর থেকে লুকাস বার্গভালের শট গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি,কাছ থেকে বল জালে পাঠান ম্যাডিসন।
ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২৮ বছর বয়সী ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের প্রথম গোল এটি। ২৩ মিনিটে ভালো একটি সুযোগ পেয়ে উড়িয়ে মারেন গার্নাচো। প্রথমার্ধে আর কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ ইউনাইটেড পায়নি। ৫৮ মিনিটে গার্নাচোর জোরাল নিচু শট ঠেকান ভিকারিও। ৭২ মিনিটে হয়লুনের আরেকটি প্রচেষ্টা ঠেকান ইতালিয়ান গোলরক্ষক। টটেনহ্যাম আরও কিছু সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি তারাও।
