
কল্পনা করা যায় এমন এক অবস্থা, যেখানে উদ্ভিদ বা গাছ কৃষককে সতর্ক করে বলছে, তার জল দরকার বা সামনের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে তার জন্য আগে থেকে যথেষ্ট পরিমাণ জল প্রস্তুত রাখা জরুরী? এর জন্য গাছ সংকেতও পাঠাবে?
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মতো শোনালেও উদ্ভিদের সঙ্গে এমন দ্বিমুখী যোগাযোগকে বাস্তবে পরিণত করার দিকে বড় এক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সেন্টার ফর রিসার্চ অন প্রোগ্রামেবল প্ল্যান্ট সিস্টেমস বা সিআরওপিপিএস-এর গবেষকরা। এ নতুন গবেষণায় এমন এক রহস্য সমাধানের দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা, যা এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তাদের বিভ্রান্ত করে রেখেছে তাদের। সেই প্রশ্ন হলো, গাছপালা যখন চাপের মধ্যে থাকে তখন কীভাবে এরা নিজেদের ভেতরে সংকেত পাঠায়?এই প্রাকৃতিক যোগাযোগ ব্যবস্থাটি বোঝার মাধ্যমে এমন উদ্ভিদের বিকাশের দ্বার খুলে যেতে পারে, যেখানে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারে গাছ, এমনকি নির্দেশাবলীর প্রতি সাড়াও দিতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, এর মূল চাবিকাঠি হচ্ছে অন্তর্মুখী চাপ, যা গাছপালাকে শুকনো অবস্থায়ও এদের কাণ্ড, শিকড় ও পাতার ভেতরে জল ধরে রাখতে সাহায্য করে। যখন একটি গাছ চাপ অনুভব করে বিশেষ করে পোকামাকড়ের কামড়ে আহত বা খরার মুখে পড়া তখন এদের এই সূক্ষ্ম চাপের ভারসাম্য বদলে যায়।









