Monday, July 22, 2024
লাইফস্টাইলপড়লেই বাড়বে শিশুর স্মৃতিশক্তি

পড়লেই বাড়বে শিশুর স্মৃতিশক্তি

চারদিকে,বড় কিংবা ছোটদের মধ্যে,অডিয়ো-ভিস্যুয়ালের নেশা যেমন হু হু করে বাড়ছে, তেমনই কমছে বই পড়ার আগ্রহ। এই আগ্রহ ফিরিয়ে আনা সহজ কাজ নয়। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের মধ্যেও এই অভ্যাস ফিরিয়ে আনা জরুরি। বলা হয় স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি সহানুভূতি বৃদ্ধি করতেও নিয়মিত বই পড়া উচিত। এ ছাড়া নতুন শব্দভান্ডার তৈরি করতেও এই অভ্যাসের জুড়ি নেই।

পড়ার অভ্যেসটা যাতে একেবারে ছোট বয়স থেকেই খুদেদের মধ্যে তৈরি হয়, তার জন্য অভিভাবককে একটু বেশি যত্নশীল হতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো কী ভাবে শিশুর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করবেন । প্রথমেই বলা ভালো স্ক্রিন টাইম বেশি হলেই শিশুর বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে না। তাই সারা দিনে শিশু কত ক্ষণ টিভি দেখতে পারে বা মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখতে পারে সেই সময়টা বেঁধে দিন। অবসর সময়টা বই পড়ানোর অভ্যাস তৈরি করুন। আপনি অফিসে থাকলেও খুদে সেই নিয়ম মানছে কি না, সে দিকেও নজর রাখুন।আপনাকে দেখেই শিশু শিখবে।খুদে যদি দেখে রোজ বাবা-মা বই, ম্যাগাজ়িন কিংবা খবরের কাগজ পড়ছে, তা হলে ওর মধ্যেও পড়ার ইচ্ছে তৈরি হবে।কারণ, অনেক সময় বাচ্চা তার বাবা-মাকে নকল করার চেষ্টা করে। সেইসঙ্গে গল্পের ছলে অভ্যাস তৈরি করুন। বাচ্চারা গল্প শুনতে ভালবাসে। একটা গল্প শুনিয়ে শিশুর মন ভোলাতে পারেন। শিশু যখন গল্পের মধ্যে একবারে ডুবে যাবে তখন গল্প বলা বন্ধ করে দিয়ে ওকে বলুন বাকিটা ওকে বই থেকেই পড়ে নিতে হবে। পাশাপাশি,ছুটির দিনে খুদেকে নিয়ে লাইব্রেরিতে সময় কাটান। সে যাতে নিজে হাতে ঘেঁটে পছন্দসই বই বেছে নিতে পারে।ধারেকাছে লাইব্রেরি না থাকলে কোনও বুকস্টোরেও নিয়ে যাওয়া যায়। এখন অনেক ক্যাফেতেও বাচ্চাদের বসে বই পড়ার জন্য চমৎকার ব্যবস্থা থাকে। নিজে হাতে করে বই নেড়েচেড়ে দেখলে, সেখানেই বসে কিছুটা পড়তে পারলে তার সঙ্গে এক ধরনের ভালবাসা তৈরি হবে বাচ্চার।মোদ্দা কথা,খুদেকে শুধুই রূপকথার জগতে ঠেলে দেবেন না। বরং ছোট থেকেই বাস্তব দুনিয়ার সঙ্গে একটু একটু করে পরিচয় করান। গল্পের বই ছাড়াও কুইজ়ের বইও কিনে দিতে পারেন বাচ্চাকে। আর, একটু বড় হলে বাচ্চাকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই বাছতে দিন।

More News