
নিজেদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানোর জন্য আরও ১৫ দিন সময় চেয়েছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। এরপরেই, আদি তৃণমূলের তরফে মহুয়া মৈত্র ও সাগরিকা ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছেন, ঋতব্রতদের আর অতিরিক্ত সময় দেওয়া নয়, বরং মমতাপন্থীদের চিঠিই গ্রহণ করুক জাতীয় নির্বাচন কমিশন ৷
দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষেদের তরফে দাবি করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন যেন নিরপেক্ষতা দেখিয়ে শুধু মমতা তৃণমূলের দেওয়া চিঠিকেই গ্রহণ করে। এই দাবি জানিয়ে, ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র জানিয়েছেন, কমিশনের তরফে প্রথমে ৬ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সময় দেওয়া ছিল, তাঁরা তার মধ্যে তাঁদের বক্তব্য জানিয়ে দেন। মহুয়া মৈত্র জানিয়েছেন, ঋতব্রতপন্থীরা প্রথমে ৫ দিন সময় চায়।
সেই ১০ তারিখের পরও প্রায় ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের কাছে অথচ কোনও তথ্য আসেনি এখনও। তাই ঋতব্রত পক্ষকে আর সময় না দিয়ে শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের দেওয়া তথ্যই গ্রহণ করা হোক। এর আগে দলের নাম, সম্পত্তি এবং প্রতীক৷ আসল দাবিদার কে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী অর্থাৎ আদি তৃণমূলের, নাকি ঋতব্রতপন্থী অর্থাৎ নব তৃণমূলের, ঋতব্রতদের আবেদন পাওয়ার পরে দু’পক্ষের কাছ থেকেই তাঁদের যুক্তি জানতে চেয়েছিল কমিশন৷ চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে আদি তৃণমূলের তরফে ৷
