
কারও পাতে সেই চেনা মেনু ডিম ভাত, কারও আবার একটু স্পেশাল ফ্রাইড রাইস চিলি চিকেন, কেউ বা তৈরি করেছেন সাদা ভাত, ডাল আর সঙ্গে স্পেশ্যাল অ্যাড অন মুরগি কিংবা খাসির কষা মাংস।
ধর্মতলায় মঞ্চে যাওয়ার আগে সর্বত্র পিকনিকের মুডে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। কোথাও লুচির সঙ্গে পাতে পড়েছে লুচি, ঘুগনি বা আলুর দম। আমহার্স্ট স্ট্রিট, ময়দান, ধর্মতলা- সহ বিভিন্ন রাস্তার দুধারে জেলা থেকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের নিয়ে আসা বাসের লম্বা লাইন। ধর্মতলার মঞ্চে যাওযার আগে রাস্তায় দাঁড়িয়ে খাওয়া দাওয়া সেরেছেন কর্মী-সমর্থকরা। শিয়ালদহ স্টেশনে ভোরের ট্রেন ধরে আগত তৃণমূল কর্মীরাও যাতে খালি পেটে সভায় না যান, তার ব্যবস্থা করেছে দল। সেখানে তত্ত্বাবধানে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও জীবনকৃষ্ণ সাহা। তাদের উদ্য়োগেই আগত ধর্মতলাগামীদের খাওয়ানো হয়েছে খিচুড়ি ও ডিম। শুধু রান্না বান্না খাওয়া নয়, দলে দলে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা মানুষগুলো ভিড় জমিয়েছেন চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া, কিংবা যাদুঘরে। সবমিলিয়ে ২১-র সমাবেশে কলকাতা শহর কার্যত পিকনিক স্পটে পরিণত হয়েছে। এদিকে, ২১-র সভায় রুপোলি পর্দার নায়ক শাহরুখ খান-র সাজে একুশের সমাবেশে যোগ দিতে এসেছেন বোলপুরের তৃণমূল কর্মী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেজে নবদ্বীপ থেকে এসেছেন তাঁত শিল্পী সঙ্গীতা সামন্ত। ধর্মতলার সমাবেশে যোগ দিতে সকাল সকাল চলে এসেছেন মহিলা তৃণমূল কর্মী। পাশাপাশি মাথায় লক্ষ্মীর ঝাঁপি নিয়ে ধর্মতলায় ঘুরছেন তৃণমূল কর্মী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ।
কারও গলায় উন্নয়নের ক্যালেন্ডার, কারও মাথায় লক্ষ্মীর ঝাঁপি। তৃণমূলের শহিদ সমাবেশে রঙিন ধর্মতলা চত্বর। বিকোচ্ছে তৃণমূলের লোগো দেওয়া টুপি, খেলা হবে-র বার্তা দেওয়া ব্যাজ।





