
৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে সেতুর রেলিং ভেঙে নদীতে ট্রাক পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন দু’জন। স্থানীয় সূত্রের খবর, টানা বৃষ্টির জেরে দৃশ্যমানতা কমে গিয়েছে।
তার জেরেই শনিবার রাতে বিপত্তি বলে মনে করা হচ্ছে। রবিবার সকাল থেকে আবার উদ্ধারকাজ শুরু করে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। অবশেষে ট্রাকের চালক ও খালাসির দেহ উদ্ধার করা হয়। উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণ আপাতত চলবে। সেখানকার তিনটি জেলায় লাল সতর্কতা রয়েছে। সপ্তাহান্তের ভারী বৃষ্টিতে কয়েকটি সড়কে ধস নেমে যানচলাচল ব্যাহত হয়। কিন্তু আপাতত সে সব রাস্তায় যান চলাচল করছে। তবে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংগামী ১১০ নম্বর জাতীয় সড়ক এখনও বন্ধ। বন্ধ টয়ট্রেন পরিষেবাও। বিকল্প রোহিণী সড়ক ধরে চলতে থাকে যাতায়াত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, কোনও পর্যটকের আটকে থাকার খবর মেলেনি।
সিকিমেও কেউ আটকে নেই বলেই জানা যায়। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রবল বৃষ্টির কারণে ভেঙে পড়ে দুধিয়া সেতু।








