
ইরানের কাছে থাকা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করার তীব্র অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই এই তেজস্ক্রিয় উপাদান মার্কিন প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর করা হবে না।
দু’ দেশের এমন মুখোমুখি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আমরা এটি কেড়ে নেবই। আমাদের এটির প্রয়োজন নেই, আমরা এটি চাইও না। সম্ভবত এটি পাওয়ার পর আমরা ধ্বংস করে দেব, কিন্তু ওদের কাছে এটি কোনোভাবেই রাখতে দেব না। এদিকে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৯০০ পাউন্ড উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় এই বিশাল মজুত মাটির নিচে চাপা পড়েছিল। এই মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা ইউরেনিয়াম উদ্ধার করাকেই এখন ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সামরিক লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তেহরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই মূলত এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। এদিকে ওয়াশিংটনের এমন হুঁশিয়ারির বিপরীতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরানও। জানা গেছে, ইরানের দুজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি ইতিমধ্যে একটি বিশেষ নির্দেশ জারি করেছেন। সেই নির্দেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী এই ইউরেনিয়াম যেন কোনো অবস্থাতেই এবং কোনো চুক্তির অধীনেই দেশের বাইরে পাঠানো না হয়।







