
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চুক্তির খসড়া ইরানকে পাঠিয়েছেন। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ওয়াশিংটনের সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাব তেহরানের কাছ থেকে শনিবার রাতের মধ্যেই আশা করছেন।
উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল দু’দেশের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি শুরু হয়। তার পর থেকে দু’দেশকে তেমন বড় কোনও সংঘর্ষে জড়াতে দেখা যায়নি। ঘটনাচক্রে, হরমুজ় প্রণালীতে আমেরিকা এবং ইরান পরস্পরের বিরুদ্ধে পণ্যবাহী জাহাজে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, আমেরিকা যদি ইরানি জাহাজে হস্তক্ষেপ করে, তা হলে হরমুজ প্রণালী ও তার আশপাশে যুদ্ধ আবার শুরু হতে পারে। এদিকে, ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুধু হরমুজ প্রণালী নয় ইরানের উপকূলীয় বন্দর খামির, সিরিক ও কেশম দ্বীপে আমেরিকা বিমান হামলা চালিয়েছে। তারই জবাবে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর, আইআরজিসি মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালিয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করেছে বলে ইরান ফৌজের দাবি। ওদিকে উত্তেজনার এই আবহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির জন্য আরও আবার সময়সীমা দিলেও তা ফলপ্রসূ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, প্রস্তাবিত চুক্তিটি এক পাতার ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক। যেখানে যুদ্ধবিরতির স্বার্থে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করার কথা বলা হয়েছে।ওয়াশিংটনের পরিকল্পনা অনুযায়ী,ইরান পরমাণু সমৃদ্ধকরণ সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখতে পারে। জবাবে আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে এবং বাজেয়াপ্ত করা কয়েকশো কোটি ডলার মুক্ত করতে পারে। উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালীতে বিধিনিষেধও শিথিল করার কথাও বলা হয়েছে প্রস্তাবে। পরবর্তী পর্যায়ে বৃহত্তর চুক্তির জন্য ৩০ দিনের আলোচনার মধ্য দিয়ে এই চুক্তি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।








