
ইস্তফা দিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড। কারণ হিসেবে জানিয়েছেন তাঁর স্বামীর অসুস্থতার কথা। জানা যাচ্ছে, তুলসি তাঁর ইস্তফাপত্রে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত। আগামী দিনে বড়সড় লড়াই রয়েছে।
এই অবস্থায় স্বামীর পাশে থাকতেই তাঁর এহেন সিদ্ধান্ত। কিন্তু তিনি এমন কথা বললেও নেপথ্যে অন্য কারণ রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষী হওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর ক্যাবিনেটের দুই সিনিয়র মহিলা সদস্য বরখাস্ত করে দিয়েছেন তিনি। আর তখনই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল একই আচরণ করা হতে পারে তুলসি গ্যাবার্ড ও ক্যারোলিন লেভিটের সঙ্গেও। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে প্রকাশ্যেই তুলসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, ইরান সম্পর্কে জানতে তাঁর নিজস্ব সূত্রই যথেষ্ট। গোয়েন্দা রিপোর্টের তিনি তোয়াক্কা করেন না। আর এরপরই তুলসির ইস্তফায় অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করে নিচ্ছেন।যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে তুলসি সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।
এক সোশাল মিডিয়া পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, গ্যাবার্ড অসাধারণ কাজ করেছেন এবং আমরা তাঁর অভাব অনুভব করব। তুলসির স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন গোয়েন্দা বিভাগের মুখ্য সহকারী কর্তা অ্যারন লিকাস। সেকথা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, তুলসি গ্যাবার্ড-র সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো। দ্বিতীয়বার মসনদে ফেরার আগে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারে একজন বিশ্বস্ত সমর্থক হিসেবে দেখা গিয়েছিল তুলসিকে। ট্রাম্প শপথ নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তুলসি গ্যাবার্ড, মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্তা হয়ে ওঠেন।








