
উমার বিদায়বেলায় ইছামতীর পাড়ে দুই বাংলার মিলন। দুর্যোগ মাথায় নিয়েই উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ।
তবে এবার বিএসএফের ছিল বাড়তি নজরদারি। কোথাকার প্রতিমা, কারা নিয়ে এসেছেন, সব ডিটেল নথিভুক্ত করতে দেখা গিয়েছে বিএসএফ জওয়ানদের। এপারে বসিরহাটের টাকি, ওপারে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা। ইছামতী নদীতে নৌকায় প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা উৎসবের শেষে অন্যতম আকর্ষণ। দুই পারের মানুষজন এই অনন্য দৃশ্য উপভোগ করতে দুর্যোগ উপেক্ষা করেই ভিড় জমিয়েছিলেন। বিএসএফ এবং বাংলাদেশের বিজিবি-র তরফে কড়া নজরদারি চলে। স্পিড বোট করে টল দেন জওয়ানরা। চিরাচরিত প্রথা মেনে প্রথমে টাকি রাজবাড়ির বিসর্জনের পর শুরু হয় অন্যান্য পুজোর প্রতিমা বিসর্জন। রীতি মেনে টাকি রাজবাড়িতে কচু শাক ও পান্তা ভাত নিবেদন করা হয় দেবীকে। দশমীর ভোরে মঙ্গল যাত্রার পর দালান থেকে প্রতিমা বের করে বরণ করার পর শুরু হয় সিঁদুর খেলা।
এরপর ২৪ বেয়ারার কাঁধে করেই ইছামতির জলে নিরঞ্জন দেওয়া হয় প্রতিমাকে। এরপরেই একে একে অন্যান্য পুজো কমিটিগুলো তাদের প্রতিমা নিরঞ্জন করেন।




