
কার্যত রক্তপাতহীন ভোেট দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু ফল বেরতে দিকে দিকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি। ক্যানিংয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বিজেপি কর্মী।
অভিযোগ তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মী অর্ঘ্যদীপ বসুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাঁর পায়ে গুলি লাগে। স্থানীয়রাই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ভোট গণনা তখনও শেষ হয়নি। কিন্তু ট্রেন্ড বুঝতে পেরে গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বাইরে বেরতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর গায়ে কাদা ছোড়া হয়। চোর স্লোগানও দেওয়া হয় তাঁকে। রাজের জামায় কাদার ছাপ পড়ে যায়। যদিও কোনও মন্তব্য না করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এদিকে গণনার মধ্যে সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে ভাঙচুরের অইভযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। জগদীশ চন্দ্র বোস কলেজের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিকে দুর্গাপুরে তৃণমূলের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রতিবাদে সার্ভিস রোেড অবরোধ করে তৃণমূল। বারাবনীতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তৃণমল কার্যালয়ে।
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী জিততে তৃণমূল অফিস ভেঙে দেওয়া হয়। এরমধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয় কোনও হুমকি, হামলা হলে তাদের জানাতে। এজন্য একটি হেল্পলাইন নম্বরও ঘোষণা করা হয়।





