নজরে আল-ফালাহ-র রুম ১৩, ১৭ নং বিল্ডিং’ও

0
140
ছবি সৌজন্যে : এক্স
৭০ একর জুড়ে বিস্তৃত ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ নম্বর ভবনের একটি ঘরেই জঙ্গি কার্যকলাপের ছক তৈরি হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। ভবনের ১৩ নম্বর ঘরটি ছিল ডা. মুজাম্মিলের, যেটি গোপন বৈঠকের আসর হয়ে উঠেছিল।
এখানেই দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয় বলে অনুমান। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি থেকে রাসায়নিক চুরি করে আনত জঙ্গি চক্র। ল্যাবটি মুজাম্মিলের ঘরের কাছেই অবস্থিত। ডা. উমর এবং ডা. শাহিন মিলে ওই রাসায়নিক সংগ্রহ করতেন এবং পরে তা ফরিদাবাদের ধৌজ ও টাগা গ্রামে ভাড়া নেওয়া বাড়িতে মজুত রাখা হত। পুলিশের অভিযানে ইতিমধ্যেই ওই কক্ষ সিল করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধার হয়েছে একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস, পেন ড্রাইভ ও রাসায়নিকের নমুনা। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাব থেকে আনা রাসায়নিকের সঙ্গে অল্প পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও অক্সিডাইজার মিশিয়ে বিস্ফোরক তৈরি করা হয়েছিল।
ফরিদাবাদে তল্লাশির সময় পুলিশ উদ্ধার করেছে প্রায় ২ হাজার কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, যার মধ্যে ৩৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও রয়েছে। তহবিল ও লক্ষ্য তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, চার চিকিৎসক মিলে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা জোগাড় করেছিলেন সন্ত্রাসী হামলার জন্য।