
শীতকালে রোগব্যাধি একটু বেশিই হয়। কখনো সর্দি-কাশি, কখনো অ্যালার্জি আবার কখনো বাতের ব্যথা ভোগায়।
শীতের সংক্রামক রোগ থেকে যদি বাঁচতে হয়, তাহলে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে লাভ হবে না। দোকান থেকে কেনা এনার্জি ড্রিংকও ক্ষতিকর। এই অবস্থায় শীতের রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকতে নিয়মিত অভ্যাস করতে পারেন সহজ কিছু যোগাসন।নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরে শ্বেতকণিকার সংখ্যা বাড়ে অর্থাৎ জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ে। ফলে চট করে সংক্রমণ হয় না। ব্যায়ামে বাড়ে বিপাক ক্রিয়ার হার।তার হাত ধরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি যেমন বাড়ে, ওজন বশে থাকে বলেও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়। এখন প্রশ্ন হল,কোন কোন আসন করলে সুস্থ থাকবেন? উত্থান মণ্ডুকাসন করতে পারেন। প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের ওপর বসতে হবে। এবার হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গি করুন। দু’ পা ছড়িয়ে দিন দুই পাশে।এমনভাবে ছড়াতে হবে, যেন দু’ ঊরু ও হাঁটু মাটি স্পর্শ করে থাকে। দেখতে অনেকটা ব্যাঙের মতো লাগবে। থুতনি, বুক, পেটও মাটির সঙ্গে ঠেকে থাকবে। এই অবস্থায় ৩০ সেকেন্ড থাকতে পারলে ভালো হয়। না হলে প্রথমে ১০ সেকেন্ড থাকুন। ধীরে ধীরে সময় বৃদ্ধি করবেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা এই যোগাসন করবেন না। তারপর,উষ্ট্রাসন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে,প্রথমে ম্যাটের ওপর হাঁটু মুড়ে বসুন। এবার পেছনের দিকে খানিকটা হেলে দু’ হাত দিয়ে গোড়ালি ধরুন। মাথা পেছনের দিকে ঝুলিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে পেটের অংশটা সামনের দিকে এগিয়ে দিন। ডান হাতের বুড়ো আঙুলটি ডান দিকের গোড়ালির ভেতর দিকে রেখে বাকি সব আঙুল বাইরের দিকে রাখুন।বাঁ দিকের ক্ষেত্রেও একইভাবে রাখুন। পায়ের পাতা মাটিতে থাকবে। আসনটি করার সময় স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন।বৃক্ষাসনও করতে পারেন।সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে নিজের দুটি হাতের তালু একসঙ্গে করে বুকের কাছে আনুন। তারপর শরীরের ভারসাম্য রেখে নিজের ডান পায়ের হাঁটু ভাজ করে পায়ের পাতাটি বাঁ পায়ের ঊরুর ওপর আনুন। পিঠ সোজা সোজা রেখে নিজের হাত আগে যেভাবে ছিল সেভাবে মাথার ওপর নিয়ে যান।
৩০ সেকেন্ড এই ভঙ্গিতে এক পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকুন। ২০ সেকেন্ড থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন এবং পা পরিবর্তন করে পুনরায় করুন।








