
ইউক্রেনের পরে এ বার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পোল্যান্ডে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করতে পারেন বলে আশঙ্কা করেছে সে দেশের সরকার। এই আবহে সম্ভাব্য রুশ হামলা ঠেকাতে সীমান্ত বরাবর যুদ্ধবিমান মোতায়েন শুরু করেছে সামরিক জোট নেটোর সদস্য রাষ্ট্রটি। শুরু হয়েছে, আকাশসীমা বরাবর যুদ্ধবিমানের টহলদারি। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ইউরোপে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য পশ্চিম ইউরোপ এবং রুশ ভূখণ্ডের বাফার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত পোল্যান্ড। রাশিয়া-পোল্যান্ড সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৩২ কিলোমিটার।সেই সীমান্তেরই সামরিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অবস্থানে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে পোল্যান্ড।সে দেশের সেনার অপারেশনাল কমান্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে বলেছে,ইউক্রেনের ভূখণ্ডে যুদ্ধক্ষেত্রের সীমা ছাড়িয়ে রুশ যুদ্ধবিমান এবং ড্রোনের গতিবিধি নজরে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে পোল্যান্ড এবং সামরিক মিত্র বিমানগুলি আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে উড়ান শুরু করেছে।এর মধ্যে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়া ড্রোন হামলা চালিয়েছিল।
গত সাড়ে তিন বছরের যুদ্ধে এটিই রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা বলে সামরিক পর্যবেক্ষকরা চিহ্নিত করেছেন।পোল্যান্ড এবং তাঁর সহযোগী ইউরোপের দেশগুলির রুশ সীমান্তে বিমান টহলদারি নতুন করে পশ্চিম ইউরোপে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত,চলতি বছরের মার্চে প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক রুশ হামলা ঠেকাতে তাঁর দেশের প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও সক্ষম পুরুষকে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
