দিল্লিতে ‘ঘাতক’ গাড়িতে ছিলেন কাশ্মীরি চিকিৎসক উমর?

0
81
ছবি সৌজন্যে : এক্স
দিল্লিতে লালকেল্লার অদূরে গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও জোরালো হচ্ছে জঙ্গিযোগের তত্ত্ব। ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।
এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত উঠে আসছে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামার এক চিকিৎসকের নাম। সংবাদমাধ্যমের একাংশে দাবি করা হচ্ছে, সিসি ক্যামেরায় প্রকাশ্যে আসা ফুটেজে দেখা গিয়েছে ওই চিকিৎসককেই। যদিও দিল্লি পুলিশ বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থা এ বিষয়ে সরকারি ভাবে কোনও মন্তব্য এখনও পর্যন্ত করেনি। সোমবার সন্ধ্যার যে গাড়িটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটির নম্বর প্লেট হরিয়ানার। সেই সূত্র ধরে মহম্মদ সলমন নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার রাতেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া গাড়িটি তাঁরই নামে রেজিস্ট্রেশন করা আছে বলে দাবি পুলিশ সূত্রের। যদিও জানা যাচ্ছে, পুলিশি জেরায় সলমন জানিয়েছেন, তিনি গাড়িটি পুলওয়ামার এক বাসিন্দাকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। তবে গাড়ির নথিপত্রে এখনও নামবদল হয়নি। এ বার অন্য সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, ওই গাড়িটির বর্তমান মালিক ছিলেন পুলওয়ামার এক চিকিৎসক। নাম ওমর মহম্মদ। বিস্ফোরণের পরে আশপাশের এলাকার বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। সিসি ক্যামেরার একটি ফুটেজ ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা লালকেল্লার কাছে একটি পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে ছিল গাড়িটি। গাড়িটিতে নীল-কালো রঙের টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে ফুটেজে। ফরিদাবাদকাণ্ডে গ্রেফতার দুই চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিল ও আদিল রাথারের সঙ্গেও তাঁর যোগ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে ওই প্রতিবেদনে।
তাতে বলা হচ্ছে, দুই সহযোগীর গ্রেফতারির পরেই ঘাবড়ে গিয়েছিলেন ওমর। মুজাম্মিল এবং আদিলের গ্রেফতারির পরে তিনি ভয়ে ফরিদাবাদ থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। ঘাবড়ে গিয়েই ওই চিকিৎসক এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি সূত্রের।