
না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে ঢোকানো হয়েছিল জল, খাবার, যুবভারতী বিতর্কে দাবি পুলিশের। জল বা খাবার ঢোকানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি, দাবি পুলিশ সূত্রে।
পুলিশকে না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে জল, খাবার ঢোকানো হয়েছিল। কার্ড ঝুলিয়ে গ্যালারিতে জল ও খাবার বিক্রি চলছিল, কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সকালে নজরে আসে, তখন আর বাধা দেওয়া হয়নি বলে দাবি পুলিশের। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও স্টেডিয়ামের ভিতর জলের বোতল কিভাবে ঢুকেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই ২০ টাকার জলের বোতল ২০০ টাকায বিক্রির ভিডিও ভাইরাল হযেে। তাতে দেখা একজন ২০০ টাকায জলের বোতল বিক্রি করছেন গ্যালারিতে। কাদের স্বার্থে ২০ টাকার জলের বোতল ২০০ টাকায় প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ১০ টাকার জলের বোতল বিক্রি হয়েছে ১৫০-২০০ টাকায়, ১০ টাকার চিপস কিনতে দিতে হয়েছে ১০০ টাকা।
আর সেই জলের বোতলই মেসির মাঠে হয়েছিল উঠেছে প্রতিবাদের অস্ত্র। অথচ ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযাযী কোনও ফুটবলমাঠে জলের বোতল নিযে গ্যালারিতে প্রবেশ করা যায় না।
