
শনিবার বিকেলের মধ্যেই তামিলনাড়ু উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ফেঙ্গল। তার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে তামিলনাড়ু উপকূলে।
ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টিও হচ্ছে উপকূল এলাকায়। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, স্থলভাগে প্রবেশ করার সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের ফলে হাওয়ার সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার। তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরীর উপকূলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল, কলেজ, অফিস। জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ ক্রমে উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে সরছে। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ু-পুদুচেরী উপকূলে কারইকাল এবং মহাবলীপুরমের মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সোমবার পর্যন্ত তামিলনাড়ু, পুদুচেরী, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং কর্নাটকের বেশ কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। ইস্ট কোস্ট রোড এবং ওল্ড মহাবলীপুরম রোডে যান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। তামিলনাড়ুর বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর বিভিন্ন এলাকায় দু’হাজারের বেশি ত্রাণশিবির খুলেছে।
উপকূল এলাকা থেকে সাড়ে ৪০০-র বেশি মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিরাপদ স্থানে। খুলে দেওয়া হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বর। রাজ্যে ফেঙ্গলের সরাসরি প্রভাব না পড়লেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে।






