
পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টিতে তিস্তার জল ঢুকে প্লাবিত জলপাইগুড়ির মালবাজারের টোটগাঁও। ৫০টিরও বেশি পরিবার জলবন্দি হয়ে পড়েছে। আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় স্কুলে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ কয়েকবছর ধরে পাহাড়ে বৃষ্টি হলেই তিস্তার জলে ভাসছে গ্রাম।
বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, বাড়িঘর নদীর গ্রাসে চলে যাচ্ছে। স্থায়ী বাঁধের দাবি বারবার জানিয়েও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ি শহরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড জলমগ্ন। অন্যদিকে তিস্তা ব্যারাজ থেকে ২৯ হাজারেরও বেশি জল ছাড়া হয়েছে। মেখলিগঞ্জে এবং জলঢাকা ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। তিস্তার দোমোহনিতে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে সেচ দফতর। কালিম্পংয়ের তিস্তাবাজারে দার্জিলিং কালিম্পং রোডের ওপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। অন্যদিকে কোচবিহারের তোর্সা, রায়ডাক ও সঙ্কোশ নদীতেও বাড়ছে জল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সুকনায় ধসের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে টয় ট্রেন চলাচল।








