
ভুয়ো ভোট দিতে গিয়ে ধরা পড়লে অভিযুক্তর ১ বছরের জেল হবে। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে এমনই কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
ছাপ্পা ভোট, রিগিং আটকাতেই এই নতুন নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ভুয়ো ভোট দিতে গেলেই তা ধরা পড়ে যাবে ক্যামেরায়। এছাড়া সূত্রের খবর, পুলিশ-প্রশাসনের উদ্দেশে নির্বাচন কমিশন বার্তা দিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গাফিলতি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কোথাও বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে! কোথাও উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। এই প্রেক্ষাপটে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। অতীতে ভোট সন্ত্রাসের থেকে শিক্ষা নিয়ে, সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে তৈরি করা হয়েছে রেড জোন।
কমিশনের তৈরি এই রেড জোনে থাকছে ভাঙড়, ব্য়ারাকপুর, খানাকুল, কাকদ্বীপ, আরামবাগের মতো এলাকা। দ্বিতীয় দফার ভোটেও থাকছে ড্রোনে নজরদারি।
