
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বলা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়তে বসা সংঘাতের লাগাম টানতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
জি-সেভেনও নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা না বাড়ানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগও চলছে।এর আগে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়ে ইরান এখন পর্যন্ত পালটা হামলা থেকে রেহাই পেলেও আন্তর্জাতিক স্তরে আরো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ এড়াতে পারছে না।এই অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা ইরানের ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল কোম্পানিগুলোর কার্যকলাপ চাপের মুখে পড়বে। শিল্পোন্নত দেশগুলির গোষ্ঠী জি-সেভেনও ইরানের অস্ত্র সরবরাহকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোর প্রস্তাব বিবেচনা করছে।ইরানের হামলার নিন্দা করে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থনের অঙ্গীকার জানিয়ে ইইউ নেতারা সব পক্ষের উদ্দেশ্যে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস বলেছেন, ইরানের ওপর বড় আকারে ইসরায়েলের পালটা হামলা না চালানো জরুরি। উল্লেখ্য,আমেরিকা এবং পশ্চিমীদেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসরায়েলের সংযমের আশা করছে।তবে বিশ্ববাজারে পেট্রোলিয়ামের মূল্য স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে আপাতত ইরানের তেল রপ্তানির পথে কোনো বাধা সৃষ্টি করতে চাইছে না পশ্চিমী দেশগুলো।রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেসের সাম্প্রতিক বক্তব্য তুলে ধরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য একেবারে খাদের কিনারায় এসে পৌঁছেছে
