
আমেরিকায় পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপগুলোতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তিনিই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই তিনি নতুন প্রেসিডেন্টের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
তার বিরুদ্ধে ব্যবসার রেকর্ড জাল করা, ২০২০ সালের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা এবং শ্রেণিবদ্ধ বিভিন্ন নথিকে ভুলভাবে পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেছেন।এ ছাড়া ১০০ সদস্যের সিনেটেও রিপাবলিকানরা নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। তবে কোন দল মার্কিন হাউস নিয়ন্ত্রণ করবে,তা এখনো জানা যায়নি।ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট যিনি কোনো ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে হোয়াইট হাউজে পা রাখলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চারটে ফৌজদারি মামলার পরিণতি ঠিক কী হতে পারে তা নিয়ে রয়েছে অনেক জল্পনা-কল্পনা। জানা গেছে, নিউ ইয়র্কে ব্যবসায়িক নথি জাল সংক্রান্ত মামলায় তার বিরুদ্ধে ওঠা ৩৪টি অপরাধমূলক অভিযোগে ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।চলতি বছরের মে মাসে নিউ ইয়র্কের একআদালত তাকে একজন অ্যাডাল্ট ফিল্মস্টারকে মুখবন্ধ রাখার জন্য টাকা দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছিল।তবে,এই মামলায় তার কী সাজা হতে পারে সে সংক্রান্ত রায় নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। বিচারক উয়ান মার্চানের নির্দেশে তা সেপ্টেম্বর থেকে পিছিয়ে ২৬শে নভেম্বর করে দেওয়া হয়।যদিও ব্রুকলিনের প্রাক্তন প্রসিকিউটর জুলি রেন্ডেলম্যান জানিয়েছেন,মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হওয়া সত্ত্বেও বিচারক মার্চান পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজা সংক্রান্ত রায় দিতে পারেন।
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প জেলে যাবেন না বলেই মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা। তারা জানিয়েছে,ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবার কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তাই তাকে কারাগারে পাঠানোর সম্ভাবনা প্রায় নেই।








