
মহাকাশে প্রথম দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটিয়ে আর্টেমিস টু মিশনের ওরিয়ন ক্যাপসুলের চার নভোচারীরা ঘুমাচ্ছেন। তারা সাধারণত চার ঘণ্টা করে বিশ্রাম নিচ্ছেন।
এ মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ ও জেরেমি হ্যানসেনকে বহনকারী মহাকাশযানটি বর্তমানে পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৮ হাজার ৩৯৭ কিলোমিটার দূরে কক্ষপথে অবস্থান করছে।বিশ্রামে না থাকার সময় ক্রু সদস্যরা মহাকাশযানটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছেন। উৎক্ষেপণের কিছুক্ষণ পরেই যানটির সৌর প্যানেল বা সোলার উইংস’গুলো পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে, যা তাদের পুরো যাত্রায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ শক্তি সরবরাহ করছে।মিনিবাসের আকারের এ মহাকাশযানটিতে এর আগে কখনও মানুষ চড়েনি। ফলে এর পাইলট ভিক্টর গ্লোভার সারাদিন ধরে যানটিকে এর সর্বোচ্চ সক্ষমতা পর্যন্ত চালিয়ে পরীক্ষা করছেন।নাসা নিশ্চিত হতে চায়, মহাকাশের আরও গভীরে যাওয়ার আগে ওরিয়ন পুরোপুরি যাত্রার উপযোগী কি না। কারণ, একবার গভীর মহাকাশে চলে গেলে সেখান থেকে সহজে ফিরে আসার কোনো পথ নেই।পাশাপাশি নভোচারীরা মহাকাশযানের ভেতরে থাকা লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বা, জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাগুলোও পরীক্ষা করে দেখছেন। কোনো সমস্যা দেখা দিলে নভোচারীদের কাছে বিশেষভাবে তৈরি এমন স্যুট বা পোশাক রয়েছে, যা তাদের প্রায় ছয় দিন পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখবে।
মহাকাশে নভোচারীদের প্রথম দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটছে। তারা ক্যাপসুলটিকে ম্যানুয়ালি চালিয়ে দেখছেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে প্রয়োজনে নিজেরাই মহাকাশযানটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন।








