কমবয়সীদের ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি

0
78
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যেও ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্রুত বেড়ে চলেছে। এর মূল কারণ অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, কিছু শারীরিক রোগ, মানসিক চাপ ও বংশগত সমস্যা।

এসব কারণে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয় এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। কমবয়সীদের মধ্যে ব্রেন স্ট্রোকের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে আছে,অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন, জাংক ফুড ও ব্যায়ামের অভাব স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়। কম বয়সীদের মধ্যে স্থূলতা দ্রুত বাড়ছে, যা ঝুঁকিকে আরো বাড়িয়ে তোলে।পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল,এই রোগগুলো এখন কম বয়সী তরুণদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ মস্তিষ্কের রক্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।জন্মগত হৃদরোগ, হার্টের ভালভ সমস্যা বা অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বাড়ায়। এই জমাট রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছালে স্ট্রোক হতে পারে।অন্যদিকে,দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ রক্তচাপ বাড়িয়ে এবং শরীরের স্বাভাবিক হরমোন ভারসাম্য নষ্ট করে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।অতিরিক্ত মিষ্টি, ফাস্টফুড ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব স্থূলতার কারণ।স্থূলতা থেকেই বাড়ে উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস যা স্ট্রোকের বড় ঝুঁকি।

এর বাইরে নিয়মিত অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনে শুধু ফ্যাটি লিভারই নয়, মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে। ফলে ব্রেন স্ট্রোকের সম্ভাবনা বহু গুণ বাড়ে।রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা বা ব্লাড ক্লটিং ডিজঅর্ডার একটা কারণ হতে পারে। থ্রম্বোফিলিয়া বা সিকল সেল অ্যানিমিয়ার মতো রোগে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বেশি থাকে। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়ে স্ট্রোক হতে পারে। এর বাইরে অন্যান্য কারণের মধ্যে আছে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ,অপর্যাপ্ত ঘুম ও অনিয়মিত জীবনযাপন,ক্যারোটিড ধমনী ব্লক হওয়া, যা মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে।