
চিনিকে বলা হয় সাদা বিষ। একে আবার সাইলেন্ট কিলারও বলা হয়।
প্রতিদিন সকাল থেকেই আমরা এই সাদা বিষ বা সাইলেন্ট কিলারের ফাঁদে পড়ে থাকি। সকালের প্রথম চা বা কফি, পাউরুটির ওপর মাখন মাখিয়ে চিনি কিংবা রান্নায় চিনি।অনেকে আবার টক দইয়ের টক স্বাদ কাটাতে চিনিকেই হাতিয়ার হিসেবে নেন। কিন্তু এই হাতিয়ার ব্যবহারের ফলে খাবার সুস্বাদু হলেও এই চিনি কিন্তু শরীরের শত্রু। যা কিনা ধীরে ধীরে আপনাকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।এখন প্রশ্ন হলো, কিভাবে শরীরের জন্য বিষ হয়ে উঠছে চিনি। সাধারণতঃ বলা হয় আগে মানুষ চিনি পরিমাণমতো খাওয়ার চেষ্টা করত। কিন্তু এখন আমরা চিনিটা একটু বেশিই খেয়ে থাকি। দুধ চা বা কফিতে চিনি কিংবা কোল্ড ড্রিংকসে চিনি, বার্গার, পিৎজাতে চিনি।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চিনি খেলেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে তা রক্তের সঙ্গে মিশে যায়।কিন্তু রক্তের মধ্যে অতিরিক্ত চিনি মোটেই ভালো নয়। সেটা শরীরও জানে। তাই যখনই রক্তে চিনি চলে আসে তখনই অগ্ন্যাশয় থেকে একটি হরমোন বের হয়, যার নাম ইনসুলিন।এই ইনসুলিন রক্তে মিশে যাওয়া চিনি কোষের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। কিন্তু এতদিন ধরে সঠিক পরিমাণ চিনি না খেয়ে অতিরিক্ত চিনি খাচ্ছি।সে জন্য কোষের ভেতরে আগে থেকে বাসা করেছে প্রচুর পরিমাণ এই সাদা বিষ। তাই ফের নতুন করে চিনি খেলে রক্ত থেকে ইনসুলিন সেই চিনি নিয়ে কোষে না পাঠিয়ে অতিরিক্ত চিনিগুলোকে নিয়ে চর্বি তৈরি করে। যার ফলে দিন দিন মোটা হতে থাকি।অন্যদিকে,সাধারণত আমরা জানি, ফ্যাট খেলে মোটা হয়। কিন্তু একথা একেবারেই সত্য় নয়। বরং এই চিনির দানাই বা সুগারই ধীরে ধীরে মোটা করে দেয়। তার কারণ আপনার কোষগুলো ইতিমধ্যেই চিনিতে ভরপুর। আর অতিরিক্ত চিনি নিয়ে ইনসুলিন শরীরে চর্বি তৈরি করছে।
তাই সুস্থ থাকতে, ফিট থাকতে, রোগা থাকতে জিমে যাওয়ার আগেও চিনি খাওয়া কন্ট্রোল করুন। আর চিনি খাওয়া পুরো ছেড়ে দিতে পারলেই ভালো।








