স্টেডিয়ামে জলের বোতল কি করে, উঠছে প্রশ্ন

0
113
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
১০ টাকার জলের বোতল বিক্রি হয়েছে ১৫০-২০০ টাকায়, ১০ টাকার চিপস কিনতে দিতে হয়েছে ১০০ টাকা। আর সেই জলের বোতলই মেসির মাঠে হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের অস্ত্র।
অথচ ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কোনও ফুটবলমাঠে জলের বোতল নিয়ে গ্যালারিতে প্রবেশ করা যায় না। তেষ্টা নিবারণে থাকে জলের পাউচ। তাহলে কাদের স্বার্থ পূরণে উদ্যোক্তা এবং ক্রীড়ামন্ত্রী আন্তজাতিক আইন ভাঙলেন প্রশ্ন উঠেছে যুবভারতীতে। গন্ডগোলের পর যখন ভাঙা হচ্ছে প্লেয়ার্স রুম, টানেল, ছোড়া চেয়ারে মাথা ফেটেছে জনা চারেক পুলিশকর্মীর, তখনও দেখা গিয়েছে স্টেডিয়ামের বাইরে গাড়ি ভর্তি জলের বোতল। স্বভাবতই প্রথম থেকেই নিরাপত্তায় গলদ ছিল এমন অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে গন্ডগোলের পরেও ভাঙচুর এবং লুঠপাট চলেছে যবভাবতীতে তা সাম্প্রতিককালে নজিরবিহান।
মাঠে ব‍্যাফ নামিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করা হলেও স্টেডিয়ামের মধ্যে, আশেপাশে অবাধ লুঠ মনে করিয়ে দিয়েছে একবছর আগে পাশের দেশে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বিখ্যাত সেই লুঠের কথা।