পরিবার অভিযোগ করলেও কৃষ্ণনগরের তরুণীর মৃত্যুকে এখনই ধর্ষণ খুন বলতে নারাজ পুলিশ। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার অমরনাথ কে জানিয়েছেন তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে মৃতের শরীরে পোড়া দাগ ছিল।
অন্যদিকে মৃতের শেষ ফেসবুক পোস্ট ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। ওই পোস্টে লেখা হয়েছে তাঁর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। সে নিজেই দায়ী। সবাই ভাল থেকো। যদিও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেয়েটির প্রেমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে বাবা-মাকে। কৃষ্ণনগর শহরের বেশকিছু সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অপরাধে কারা জড়িত সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার বিকেলে স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। যা সম্ভাব্য সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে সবকিছু ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা করানো হবে। এদিকে মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন বিধায়ক লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুজোর দিনে ঘরের লক্ষ্মীদের বিসর্জন দিতে হচ্ছে। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন এই ঘটনার প্রতিবাদে ১৯ তারিখ ১ ঘণ্টা রাজ্যের প্রত্যেক থানায় অবস্থান বিক্ষোভ করবে কংগ্রেস।
