
অনলাইনে কেনাকাটা, ব্যাংকিং লেনদেন, সোশাল মিডিয়া থেকে শুরু করে নিত্যদিনে বিভিন্ন কাজের সঙ্গী হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন।এসব কাজে আমাদের ফোন অনেক ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে যার মধ্যে রয়েছে পরিচিতি, অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য।অনলাইনে অসতর্ক ব্যবহারের ফলে ডিভাইস ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়ে।
ভাইরাস এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা পুরো সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে।এগুলো ফোনের কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং যে কারও সংবেদনশীল তথ্য তুলে দিতে পারে হ্যাকারদের হাতে।সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক সাইট ম্যাকাফি এক রিপোর্টে ভাইরাসের এসব ধরনের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে এবং কীভাবে সেগুলো শনাক্ত ও নির্মূল করা যেতে পারে তার উপায়ও জানিয়েছে।আসলে সাইবার অপরাধীরা স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের সাইবার আক্রমণ চালাতে পারে।এর মাধ্যমে ফোনে সংক্রমিত হতে পারে কিছু ভাইরাস।যেমন,ম্যালওয়্যার,এটি তথ্য চুরি করে বা ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নেয়।অ্যাডওয়্যার,বিজ্ঞাপন আকারে আসে যা ডিভাইসের তথ্যে অ্যাক্সেস নিতে পারে যদি তাতে কেও ক্লিক করেন।
তারপর র্যানসমওয়্যার, যা হ্যাকারকে মুক্তিপণ না দেওয়া পর্যন্ত এই ভাইরাস কোনো ব্যক্তির নিজের ফোনই তাকে চালাতে দেবে না। উল্টো হ্যাকার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ছবি ব্ল্যাকমেল করার জন্য ব্যবহার করতে পারবে।এদিকে,স্পাইওয়্যার,ব্রাউজিং এক্টিভিটি ট্র্যাক করে, তারপর ডেটা চুরি করে অথবা ফোনের কর্মক্ষমতায় প্রভাব ফেলে। আর ট্রোজান ধরনের ভাইরাস ফোনের বিভিন্ন অ্যাপের ভিতরে লুকিয়ে থাকে এবং ডেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।








